শিরোনামঃ
লাইসেন্সহীন কারও কাছে বার কর্তৃপক্ষ মদ বিক্রি করতে পারে না :মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা টুর্নামেন্ট বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফুটবল টুর্নামেন্টে পরিণত হয়েছে : রুমানা আলী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ২০০২ সালে মন্ত্রিপরিষদের সভায় ১৭ এপ্রিলকে পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল কারিগরি শিক্ষা বোর্ডতো নই যেন দুর্নীতিবাজদের কারখানা নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বাংলা বর্ষবরণ উদযাপন করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা বাংলাদেশি চলচ্চিত্র সমালোচক ও চিত্রনাট্যকার সাদিয়া খালিদ ঋতি, কান উৎসবে বিচারকের আসনে বাংলাদেশের উৎসব আইএমএফের জিডিপি কমার পূর্বাভাসে চিন্তার কিছু নেই: অর্থমন্ত্রী ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ভোজনে বাংলাদেশি অনিয়মিত অভিবাসনের বিপদ বাংলাদেশ বৈশাখী ঝড়’ দিয়ে যাত্রা শুরু মিউজিক প্লাটফর্ম দোতারার শেখ হাসিনা দেশ পরিচালনায় মসৃণভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন : মার্কিন থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক প্রিয়জনের সাথে ঈদের আনন্দ পাবনার রাধানগর মজুমদার একাডেমীর এসএসসি  ৯০ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ইফতার মাহফিল ও মিলন মেলা পার্বত্য তিন জেলার শান্তি বজায় রাখার জন্য যা-যা করার করবো : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল কবিতাঃ প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি তাসনিয়া ফারিণের বাজিমাত শরীয়তপুরের ঐতিহ্যবাহী চর ভায়রা উচ্চ বিদ্যালয়ে’র সভাপতি হলেন মোসলেম উদ্দিন মিয়া
শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ১০:২৯ অপরাহ্ন
নোটিশঃ

মোবারক*** ***ঈদ মোবারক*** ***ঈদ মোবারক***

ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশনের মামলা৬ মাসের মধ্যে নিস্পত্তি নির্দেশ

Reporter Name / ৯০ Time View
Update : বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

মোঃ আবুল হাছান : ডেসটিনি পক্ষের আইনজীবি এহসানুল হক সমাজী বলেছেন, ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেড এর আজকের (গতকাল মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারি) মামলায় বিজ্ঞ আদালত বলেছেন মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী এই মামলা টি আমাকে এক বছরের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। কেননা ঐ আদেশ বা নির্দেশ নামায় বলা আছে উইদাউট এনি ফেইল এই উইথআউট এনি ফেইল কে তিনি গুরুত্ব আরোপ করে বলেছেন যেহেতু এক বছরের মধ্যে ছয় মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেছে আরো ছয় মাস বাকি রয়েছে।
সুতারাং যে কোন প্রকারেই হোক না কেন আগামী ছয় মাসের মধ্যে ইনশাল্লাহ এই মামলাটি আমি নিষ্পত্তি করব। সেই ক্ষেত্রে প্রসিকিউশনের জন্য যে সমস্ত সাক্ষী ও ডকুমেন্টস গুরুত্বপূর্ণ শুধুমাত্র তাদেরকেই বিজ্ঞ বিচারিক আদালতে উপস্থাপন করার জন্য তিনি মোখিক ভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন। বিজ্ঞ বিচারিক আদালত এও বলে দিয়েছেন যদি ছয় মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা না থাকে। কিংবা যদি মামলাটি নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে যদি কোন ধরনের ডিলে যদি হয়। আমি এটা ডিলে করব না।
আমি যেভাবেই হউক এই ছয় মাসের মধ্যে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলা নিষ্পত্তি করব। কোন ধরনের ব্যর্থতার কারণে যদি এটার বিলম্ব হয়। কিংবা কোন কিছু ব্যতিক্রম হয়ে তাকে তাহলে এর সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের উপর দায়িত্ব বর্তাবে।
আজ মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারী ) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত হোসেন এর উপস্থিতে মামলার শুনানীর কার্যক্রম শুরু হয় । সকাল ১০টা ৩০ ঘটিকায় শুরু হয়ে আদালতের শুনানির কার্যক্রম চলে ১১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত। পরে বিরতি দিয়ে ১১টা ৪০ মিনিটে ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের মামলার শুনানীর কার্যক্রম হলে এক টানা চলে ১২ টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত। মামলার শুনানী শেষে আগামী ২০ ফেব্রুয়ারী পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করেন।
দীর্ঘ প্রায় ১ বছর পরে আজ শুনানীর সময় মহানগর দায়রা জজ আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডেরে মামলার দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ তৌফিকুল ইসলাম। শুনানির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি আদালতে অবস্থান করছিলেন।
ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী প্রধান আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী,সাবেক মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর মহানগর দায়রা জজ আদালত ঢাকা, ব্যারিস্টার উজ্জ্বল কুমার ভৌমিক ও এডভোকেট মোঃ শাহীনুর ইসলাম।
এই মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর ও তার সহকারী এডভোকেট মোরশেদ আলম শুভ।
মামলার শুনানী শেষে ডেসটিনি পক্ষের আইনজীবি এহসানুল হক সমাজী দৈনিক নতুনবাংলাকে বলেন,ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেড এর আজকের এই মামলায় পাঁচজন (০১। মোঃ হুমায়ুন কবির, হেড অফ ইসলামিক ব্যাংকিং, ব্যাংক আলফালাহ ০২। মোঃ রকিবুল হক,ভাইস প্রেসিডেন্ট ঢাকা ব্যাংক. ০৩। মোঃ মাহবুবুর রহমান, ভাইস প্রেসিডেন্ট ঢাকা ব্যাংক ০৪। মোহাম্মদ দিদারুল আলম, ভাইস প্রেসিডেন্ট ঢাকা ব্যাংক ০৫। তাপস তন্ময় পাল,সাউথ ইষ্ট ব্যাংক) ব্যাংক কর্মকর্তা প্রশিকিউশনের সাক্ষী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
পাঁচ জন সাক্ষী বিজ্ঞ বিচারক আদালতে দুদক কর্তৃক ব্যাংকের নিকট চাহিত ডকুমেন্ট সমূহ দাখিল করেছে। প্রত্যেকটা সাক্ষী কে আমরা জেরা করেছি। জেরায় আমরা আসামীদের পক্ষ থেকে বেশকিছু প্রশ্ন করেছি। তার মধ্যে আমরা সাক্ষীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছি যে দাখিলীয় ডকুমেন্টস এর মধ্যে মোঃ রফিকুল আমিন, মোঃ হোসেন ও লেঃ জেনারেল হারুন-অর রশিদ এর ব্যক্তিগত নামে কোন একাউন্ট বা কোন ব্যাংকিং ট্রানজেকশন রিলেটেড ডকুমেন্টস এখানে নাই। এই প্রশ্ন উত্তর তারা খন্ডন করতে পারেন নাই। কারন তারা যে ডকুমেন্টস সমূহ দাখিল করেছেন তার মধ্যে এই তিনজন সংশ্লিষ্ট পৃথক কোন ডকুমেন্টস ছিল না।
যে ব্যাংক্ ডকুমেন্টগুলো দাখিল করা হয়েছে আপনারা জানেন ব্যাংকিং ট্রানজেকশন রিলেটেড যে ব্যাংক্ স্টেটমেন্টগুলো তাকে এ স্টেটমেন্ট গুলো যে সমস্ত ব্যাংক ইন্সট্রুমেন্ট এর উপর ভিত্তি করে করা হয় এই ইন্সট্রুমেন্ট গুলো বিজ্ঞ আদালতে সাক্ষীরা দাখিল করতে পারেন নাই। অর্থাৎ আজকে বিজ্ঞ আদালতে যে ডকুমেন্টসগুলো দাখিল করা হয়েছে এই ডকুমেন্টসগুলো অসম্পূর্ণ এবং এই ডকুমেন্টসগুলো আইনের আদলে যেভাবে হওয়ার কথা ছিল আইনের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান সমূহ এখানে অনুপস্থিত রয়েছে।
সুতরাং এই ডকুমেন্টগুলো অসম্পূর্ণ থাকায় এবং আমরা বলেছি এগুলো মনগড়া এবং ভিত্তিহীনভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। আজকে এই সাক্ষীদের সাক্ষ্য আসামিদের কনসারনে প্রতারণা কিংবা মানি লন্ডারিং এর সমর্থনে কোন অভিযোগ সমর্থন করে না । প্রথমতঃ এয়ার ডেসটিনির যে স্টেটমেন্ট তারা দাখিল করেছেন আমরা বলেছি যে মানিলন্ডারিং,স্থানান্তর,হস্তান্তর,রূপান্তর হতে হবে।
প্রতিষ্ঠান থেকে যতক্ষণ পর্যন্ত কোন ট্রানজেকশনস এই তিনজন ব্যক্তির একাউন্টে ডেবিট কিংবা ক্রেডিট না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত অপরাধ টি পূর্ণতা পায় না। দ্বিতীয়তঃ এয়ার ডেসটিনি একটি বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং সেই প্রতিষ্ঠানটির মেমোরেন্ডার অফ আর্টিকেল অফ অ্যাসোসিয়েশন অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন লিমিটেডের এই মামলার সাথে এয়ার ডেসটিনির সাথে সম্পৃক্ততা বা কোন সংশ্লিষ্টতা নাই।
প্রসিকিউশন কে প্রমাণ করতে হবে ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন লিমিটেড থেকে কোন টাকা এয়ার ডেসটিনিতে গিয়েছে। এবং এয়ার ডেসটিনির সেই একাউন্ট থেকে কোন টাকা মোহাম্মদ রফিকুল আমিন,মোহাম্মদ হোসেন অথবা লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারুনুর রশিদ এর একাউন্টে টাকাটি স্থানান্তর হস্তান্তর বা রুপান্তর হয়েছে। এই জাতীয় কোন প্রমাণের অনুপস্থিতি শুধুমাত্র এয়ার ডেসটিনির কোন ট্রানজেকশনে ডেসটিনির মানিলন্ডারিং কিংবা প্রতারণা এস্টাব লিস্ট হয় না।
পাঁচ জন সাক্ষী তারা বিনিয়োগকারী কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানি আইনজীবী বলেন যারা স্বাক্ষী দিয়েছেন তারা কেউ বিনিয়োগকারী না। তাদের কাছে দুর্নীতি দমন কমিশন এর সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা এই ব্যাংকিং ট্রানজেকশন রিলেটেড প্রোফাইল রিলেটেড বেশ কিছু ডকুমেন্টস চেয়েছেন। সেই ডকুমেন্টসগুলো দুদকের চাহিদা মতে তারা সেখানে সাবমিট করেছেন। কিন্তু সেই ডকুমেন্টসগুলো আজকে বিজ্ঞ আদালতে সাবমিট হয়েছে কোন ডকুমেন্টস এ তিনজন ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট মানিলন্ডারিং কিংবা প্রতারণা স্বাপেক্ষে স্বপকে আইনত ন্যায়্যত হবে না।
দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ তৌফিকুল ইসলাম আদালতের কাছে কি বিষয়ে আবেদন করেছেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানি আইনজীবী বলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (মোঃ তৌফিকুল ইসলাম) তিনি সবে মাত্র অবসর গ্রহন করেছেন। তিনি বিজ্ঞ আদালতের কাছে জানিয়েছেন। যেহেতু বিজ্ঞ আদালত নির্দেশ দিয়েছেন প্রতি তারিখে হাজির হওয়ার জন্য। এবং সাক্ষীদের নিয়ে আসার জন্য। সেজন্য তিনি বেশ কিছু বক্তব্য সংক্ষিপ্ত ভাবে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করেছেন।
বিজ্ঞ আদালত ও পাবলিক প্রসিকিউটর কে বলেছেন যে তার আসার ক্ষেত্রে কিংবা যাতায়াতের ক্ষেত্রে কোন প্রতিকূলতা থাকলে আইন অনুযায়ী যদি তিনি কোন কিছু প্রাপ্ত হন। আইনের আওতায় যদি একজন সাক্ষী কোন কিছু প্রাপ্ত হন সে ক্ষেত্রে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করবেন।
মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রশ্ন করা হলে কোম্পানি আইনজীবী বলেন আজকে বিজ্ঞ আদালত দ্ব্যর্থহীন ভাবে বলেছেন যে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী এই মামলা টি আমাকে এক বছরের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। কেননা ঐ আদেশ বা নির্দেশ নামায় বলা আছে উইদাউট এনি ফেইল এই উইদাউট এনি ফেইল কে তিনি গুরুত্ব আরোপ করে বলেছেন যেহেতু এক বছরের মধ্যে ছয় মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেছে আরো ছয় মাস বাকি রয়েছে।
সুতারাং যে কোন প্রকারেই হোক না কেন আগামী ছয় মাসের মধ্যে ইনশাল্লাহ এই মামলাটি আমি নিষ্পত্তি করব। সেই ক্ষেত্রে প্রসিকিউশনের জন্য যে সমস্ত সাক্ষী ও ডকুমেন্টস গুরুত্বপূর্ণ শুধুমাত্র তাদেরকেই বিজ্ঞ বিচারিক আদালতে উপস্থাপন করার জন্য তিনি মৌখিক ভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন। বিজ্ঞ বিচারিক আদালত এও বলে দিয়েছেন যদি ছয় মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা না থাকে। কিংবা যদি মামলাটি নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে যদি কোন ধরনের ডিলে যদি হয়। আমি এটা ডিলে করব না।
আমি যেভাবেই হউক এই ছয় মাসের মধ্যে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলা নিষ্পত্তি করব। কোন ধরনের ব্যর্থতার কারণে যদি এটার বিলম্ব হয়। কিংবা কোন কিছু ব্যতিক্রম হয়ে তাকে তাহলে এর সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের উপর দায়িত্ব বর্তাবে।
আজ ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশনের এই মামলার শুনানির বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর কথা বলতে রাজি হননি। তিনি শুনানী শেষে পূর্বের ন্যায় দ্রুত আদালত ত্যাগ করেন। বিশ্বস্ত সুত্র থেকে জানা যায় ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশনের মামলার স্বাক্ষী কতজন নেওয়া হতে পারে এমন প্রশ্ন করা হলে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ তৌফিকুল ইসলাম বলে আমরা আশাকরি সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে মামলাটি নিস্পত্তি ঘটবে।
অপরদিকে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির লিমিটেড এর মামলায় গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট মেজর সাকিবুজ্জামান খান (অব.) ও ডেসটিনি গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বেস্ট এভিয়েশনের এ্যাসিস্টেন্ট ম্যানেজার মোল্লা আল আমিন কে জামিন দিয়েছেন উচ্চ আদালত।
আজ শুনানীতে আদালতে উপস্থিত ছিলেন ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীন,পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন,পরিচালক ফারাহ দিবা।
ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি ও ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের নামে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ডেসটিনির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা হয়।
এ মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী।
এ মামলায় অভিযোগ করা হয়, ওই টাকার মধ্যে এলসি (ঋণপত্র) হিসেবে ৫৬ কোটি ১৯ লাখ ১৯ হাজার ৪০ টাকা ও সরাসরি পাচার করা হয় ২ লাখ ৬ হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট মোহাম্মদ রফিকুল আমীনসহ অন্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারকাজ শুরু হয়।
রাজধানীর কলাবাগান থানায় এই মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুই মামলায় মোট চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়। দুই মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৫৩। ডেসটিনি-২০০০ লিঃ এর এমডি মোহাম্মদ রফিকুল আমিনসহ ১২ জনের নাম দুটি মামলাতেই রয়েছে।
আসামিদের মধ্যে আগে থেকেই কারাগারে আছেন মোহাম্মদ রফিকুল আমিন ও মোহাম্মদ হোসেন ,ফারাহ দিবাহ। এই মামলায় জামিনে আছেন ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাবেক সেনা প্রধান লেঃ জেনারেল হারুন-অর রশিদ।


এই বিভাগের আরো খবর

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০